News:

Skill.jobs Forum is an open platform (a board of discussions) where all sorts of knowledge-based news, topics, articles on Career, Job Industry, employment and Entrepreneurship skills enhancement related issues for all groups of individual/people such as learners, students, jobseekers, employers, recruiters, self-employed professionals and for business-forum/professional-associations.  It intents of empowering people with SKILLS for creating opportunities, which ultimately pursue the motto of Skill.jobs 'Be Skilled, Get Hired'

Acceptable and Appropriate topics would be posted by the Moderator of Skill.jobs Forum.

Main Menu

Principle climb to the peak of success

Started by jihad, December 05, 2013, 02:19:29 PM

Previous topic - Next topic

jihad

সাফল্যের শিখরে আরোহণের মূলমন্ত্র

নতুন চাকরি পেয়েছেন, অফিসে জয়েনও করেছেন। কিন্তু শুরু থেকেই সন্দেহ মনে, ভালো করতে পারব তো চাকরিতে? দ্রুত সাফল্য লাভ করতে পারব তো? অফিসে বসের সুনজরে থাকা যাবে তো সবসময়? সকলের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় থাকবে তো? নিজের কাজগুলো ঠিকমতো করলেই হবে তো? নাকি বাড়তি কাজও করতে হবে? এমন অনেক প্রশ্ন নিয়েই বিব্রত থাকতে হয়। নতুন চাকরিজীবীদের জন্য কিছু পরামর্শ নিয়েই এই লেখাটি লিখেছেন আফরিন জাহান

আপনার মেধা কতটুকু, তা আপনিই ভালো জানেন। আপনার যদি নতুন কিছু প্রবর্তনের মেধা থাকে, তবে তা কাজে লাগানোর আগে জেনে নিন আপনার কোম্পানি নতুন কিছু গ্রহণের ক্ষেত্রে কি ভূমিকা নেয়। বসদের মন মানসিকতা এবং পছন্দ-অপছন্দের উপর নির্ভর করে অনেক কিছুই। আপনার নতুন আইডিয়া তারা কীভাবে নেবেন, তা বুঝে শুনে শেয়ার করুন। নতুন কোনো জায়গায় অনেক সময় নিজেকে মানিয়ে নিতে একটু কাঠ-খড় পোড়াতে হয়। এ ক্ষেত্রে আপনি অফিসেও তৈরি করে নিতে পারেন আপনার হিতাকাঙ্ক্ষী, উপদেষ্টা, বন্ধু, শিক্ষক; সর্বোপরি যিনি হবেন আপনার ভালো কাজের পথপ্রদর্শক, যিনি আপনাকে ভালো পথে পরিচালিত হতে সহায়তা করবেন, যিনি আপনাকে কোম্পানির নিয়ম-কানুন, আচার-আচরণ ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি অফিসের ভালো-মন্দ আপনার সাথে শেয়ার করবেন। তিনি হবেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার সহায়ক।

তিনি আপনার বসও হতে পারেন বা কোম্পানির সিনিয়র কেউ হতে পারেন। আপনি যদি এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে মেনে চলেন, তাহলে চাকরিতে আপনার উন্নতি হবেই হবে। আপনার সাফল্য দেখে ঈর্ষা করবে অনেকেই। তাই বলে থেমে যাবেন না আপনার সাফল্যের পথে। আপনি পৌঁছে যাবেন সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে।

নতুন চাকরি পেয়েছেন মাত্র ক'দিন হলো। এরই মধ্যে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় মিস্টি পাঠানো আর বন্ধুদের নিয়ে ফাস্টফুডের দোকানে ঢুঁ মারার কর্মটি শেষ করে ফেলেছেন। ফোন করে বেলা বোসকে চাকরি পাওয়ার সংবাদটিও হয়তো জানানো হয়ে গেছে। কিন্তু কথা হচ্ছে, নতুন যে অফিসের পরিবেশে আপনি ঢুকছেন তার পুরোটাই হয়তো আপনার অজানা। তবে সমস্যার উল্টো পিঠেই যেমন সমাধান থাকে তেমনি আপনাদের বুদ্ধি দেওয়ার জন্যও রয়েছে অনেকে। নবীন চাকরিজীবীদের জন্য এরকম কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো এখানে।

 প্রথমেই সবার মনে আপনার সম্পর্কে একটি ভাল ধারণা গড়ে তুলতে হবে। এজন্য সবাইকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে হবে। মনে রাখতে হবে আপনার সাথে যারা কাজ করছেন তারাও কিন্তু স্ব স্ব ক্ষেত্রে তাদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই কাজে যোগ দিয়েছেন এবং তাদেরও উচ্চতর ডিগ্রি বা দীর্ঘদিন কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। আপনার কাজ এবং উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যদি পর্যবেক্ষক হিসেবে কেউ নাও থাকে তবুও এ বিষয়ে সচেতন হোন। অফিসে দেরি করে আসা, লাঞ্চে গিয়ে বেশি সময় কাটানো বা অফিস সময় শেষ হওয়ার আগেই চলে যাওয়ার মতো অভ্যাসগুলো যদি প্রথম থেকেই আপনার মধ্যে চলে আসে তাহলে আখেরে কিন্তু আপনার লাভের চাইতে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। মনে রাখবেন আপনি নিজেকে যতোই স্বাধীন ভাবুন না কেন, আপনার আচরণের দিকে কিন্তু সবাই লক্ষ্য রাখছে। আর সবার সাথে নম্র ব্যবহার করবার পাশাপাশি অফিসের চলতি ধারা বা অফিস পলিটিক্স সম্পর্কেও কিছুটা জানবার চেষ্টা করুন।

 ভালো কাজ করার সক্ষমতার একটি বড় শর্ত হচ্ছে ভালো কাজ শেখা। এ কারণে আপনার শেখার দুয়ারটা কখনওই পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন না। অফিসের 'নর্ম অ্যান্ড কালচার'গুলোও শিখতে চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, যেকোনো অফিসই কিন্তু তাদের মানসিকতার সাথে মানানসই লোককে খুঁজে বেরায়। তাই আপনার অফিসে কাজের যে ধারা প্রথম অবস্থায়, সেটিকেই মনে-প্রাণে অনুসরণ করার চেষ্টা করুন। প্রাথমিক অবস্থাতেই যদি আপনি আপনার কাজের ধরনে আমূল পরিবর্তন আনতে চান, তাহলে আলোচিত হবার চাইতে সমালোচিত হবার ঝুঁকিই কিন্তু বেশি। আর নিজের আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য এবং অন্য কেউ যেন তার আইডিয়া আপনার ওপর চাপিয়ে দিতে না পারে সেজন্য নিজেকে কিছু সময়োপযোগী কৌশলও শিখে নিতে হবে।

 নতুন চাকরির শুরুতে কথাবার্তাতেও আপনাকে কিছুটা কেউকেটা হতে হবে। অর্থাত্ খুব বেশি কথা না বললেও সঠিক কথাটি কীভাবে সঠিক জায়গায় বলা যায় সে বিষয়টি আপনাকে শিখে নিতে হবে। আর বাইরের কোনো পরিবেশে যখন আপনি আপনার অফিসের প্রতিনিধি হিসেবে যাবেন তখন এটা মনে রাখবেন যে আপনার কথা বলার ধরণটি শুধু আপনার ব্যক্তিত্বের বিজ্ঞাপনই নয়,একই সাথে এটি আপনার অফিসকেও রিপ্রেজেন্ট করে।

 বড় বড় বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে গিয়ে নতুন চাকরিজীবীরা অনেক সময়ে তুচ্ছ বিষয়ে ভুল করে ফেলেন। আপনার ক্ষেত্রে যেন এমনটি না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখুন। যেকোনো অফিসিয়াল ডক্যুমেন্ট বা ইমেইলের ক্ষেত্রে বানান এবং অন্যান্য ছোটোখাটো তথ্যগত ভুলগুলো ভালো করে পরীক্ষা করে তারপর তা বড়কর্তার সামনে উপস্থাপন করুন।

 অনাবশ্যক প্রশ্নবানে আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জর্জরিত না করাই উত্তম। যেসব প্রশ্ন আপনার তাত্ক্ষণিক কাজের জন্য জরুরি নয়, সেসব প্রশ্ন কোনো একটি স্থানে টুকে রাখুন। পরে সুবিধাজনক কোনো একটি সময়ে এগুলোর উত্তর জেনে নিন।

অন্যদের কাজের দিকে নজর দেয়ার চাইতে প্রথম একবছর আপনি আপনার নিজের কাজের প্রতিই বেশি মনোযোগী হোন। নিজের কাজে শতভাগ দক্ষ হয়ে উঠবার চেষ্টা করুন। সেইসাথে শিডিউল কাজের বাইরে আপনার প্রতিষ্ঠানের ভালোর জন্য যে আপনি বাড়তি কাজ করতেও আগ্রহী সেটা আপনার বসকে বোঝাবার চেষ্টা করুন। তবে আপনার এ কৌশল তখনই আপনার জন্য সুফল বয়ে আনবে যখন আপনাকে দেওয়া দায়িত্বগুলো আপনি নির্ভুলভাবে শেষ করতে পারবেন।

 আপনার চাকরির পরিবেশটি কিন্তু মোটেও আপনার আগের পরিচিত পরিবেশের মতো নয়। কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি যতোই একক স্বত্তা হিসেবে থাকুন না কেন, অফিস সবসময়ই টিমওয়ার্কের জায়গা। তাই একটি টিমের সাথে কাজ করার জন্য যে ধরনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিজের মাঝে গড়ে তোলা দরকার সেদিকে সচেতন হোন।

 অফিসের পরিবেশের সাথে আপাত সম্পর্কহীন মনে হলেও আপনার ব্যক্তিগত জীবনটিকেও গোছানোভাবে রাখার চেষ্টা করুন। কারণ, ব্যক্তিগত কোনো কারণে যদি আপনি মানসিকভাবে অস্থির থাকেন তবে তার প্রভাব আপনার অফিসের কাজেও পড়তে বাধ্য।


source: http://goo.gl/zXn7JV