ইন্টার্ভিউ বোর্ডে চাকরি জিতে নেয়ার ৭টি জরুরী ধাপ!
(http://www.priyo.com/files/story/201310/istock_000004998784large.jpg)
বর্তমান সময়ে চাকরি হলো সোনার হরিণ। একটি চাকরি পেতে এখন নানান ঝক্কি ঝামেলা সামলাতে হয়। অনেকেরই চাকরির ইন্টারভিউয়ের ভীতি আছে। যোগ্যতা আছে কিন্তু ভয় পেয়ে, দ্বিধা গ্রস্ত হয়ে চাকরি না পাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। কিভাবে ইন্টারভিউ দিয়ে সফলতার সাথে চাকরি পাওয়া যায় সেই সম্পর্কেও অনেকেরই ধারণা নেই। ফলে খুব সহজেই পাওয়া যেতো এমন চাকরির সুযোগও হারাতে হয় অনেকেরই।
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগেই জেনে নিন
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে ধারণা নিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানটির কি ধরণের কাজ করে, তাদের উদ্দেশ্য কি এবং কোন পদের জন্য তাঁরা আপনাকে ডেকেছে, সেই পদের কাজ কি এগুলো আগে থেকেই জেনে যাওয়া ভালো। তাহলে ইন্টারভিউতে গিয়ে ঘাবড়ে না গিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিতে পারবেন।
প্রশ্ন অনুমান
ইদানিং চাকরির ইন্টারভিউতে সাধারণ জ্ঞান জাতীয় প্রশ্ন সাধাণরত জিজ্ঞেস করা হয় না। তার বদলে ব্যক্তিগত যোগ্যতা, পারিবারিক কথা বার্তা ও কিছু বুদ্ধি ভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়। বেশ সহজ কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে কৌশলে আপনার উপস্থিত বুদ্ধি কেমন তা দেখে নেয়া হয়। তাই চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগেই কিছু প্রশ্ন অনুমান করে নিন আগে থেকেই। সম্ভব হবে সেগুলোর উত্তর মনে মনে প্রস্তুত করে আয়নার সামনে দাড়িয়ে ইন্টারভিউয়ের অনুশীলন করে নিতে পারেন।
হাসিখুশি থাকুন
চাকরির ইন্টারভিউতে গিয়ে সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। কারণ হাসি খুশি থাকলে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী দেখাবে। যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে হাসি বিনিময় করুন। কথা বলার সময়েও চোখ নামিয়ে কথা বা বলে সরাসরি তাকিয়ে কথা বলুন। ইন্টারভিউ দিতে শালীন ও পরিষ্কার পোশাক পরে যাবেন অবশ্যই।
শুরুতেই বলবেন না যে চাকরিটা আপনার দরকার
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে প্রথমেই যেন না বোঝা যায় যে চাকরিটা আপনার খুবই দরকার। কারণ খুব চাকরিটা খুব বেশি দরকার এটা বোঝাতে গিয়ে আপনি অনেক মিথ্যা অঙ্গীকার করে বসতে পারেন যেগুলো আপনার পক্ষে করা সম্ভব নয়। আবার বেশি আগ্রহ দেখালে আপনার উপরেও অনেক অন্যায় দ্বায়িত্ব ভার পড়তে পারে। তাই খুব বেশি আগ্রহ কিংবা খুব বেশি অনীহা কোনোটাই দেখানো উচিত না।(http://imgcdn.priyo.com/201310/JobInterview1.jpg)
আপনার যোগ্যতা জানিয়ে দিন
আপনি চাকরির পদটির জন্য কেনো যোগ্য সেটা নিজেই জানিয়ে দিন। জীবন বৃত্তান্তে জানার চাইতে আপনি আত্মবিশ্বাস নিয়ে জানালে সেটা বেশি কাজে দিবে। তাই আপনি এত আগে কোথায় চাকরি করেছেন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি, আপনি কেন চাকরিটির জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করছেন সেটা নিজেই সুন্দর করে উপস্থাপন করুন।
কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন
চাকরির ইন্টারভিউ মানে কি শুধু আপনিই প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন? নাহ, চাকরির ইন্টারভিউতে আপনিও কিছু প্রশ্ন করে নিন। জেনে নিন আপনার দ্বায়িত্ব কি হবে, আপনি কার অধীনে কাজ করবেন, কার কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে ইত্যাদি। এছাড়াও জেনে নিন আপনার সম্মানী কত হবে এবং চাকরিটি হলে কতদিন পর আপনাকে স্থায়ী করে নেয়া হবে।
বিদায় নিন
ইন্টারভিউ শেষ হলে হাসি মুখে প্রশ্নকর্তাদের কাছ থেকে বিদায় নিন। জানিয়ে দিন তাদের সাথে কথা বলে আপনার কাছে ভালো লেগেছে এবং আপনি চাকরিটি করতে আগ্রহী। তবে অতিরিক্ত আগ্রহ প্রকাশ করবেন না। এরপর চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে ধন্যবাদ দিয়ে বের হয়ে আসুন।Source: http://www.priyo.com/2013/10/05/34455.html