Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Digital Marketing / 3 Tips to be a Better Digital Marketer
« Last post by doha on April 18, 2019, 12:33:40 PM »
Some tips on how to become a better digital marketer - by Deepak Kanakaraju


The Digital medium is just how communication technology has evolved. Earlier we have Radio, TV, Newspaper and Magazines, but now we have Facebook, Twitter, Blogs and Online videos.

However, the core principles of marketing has not changed. Because we as humans have not changed. If you become a better marketer, you can automatically become a better digital marketer.

So how do we become better marketers?

1. Get a Good Life Experience
Marketing is mostly the ability to tell compelling stories. Great marketers are people who have a great life experience.
For example, a while back I wrote a blog post on how digital marketing and blogging took me to China. (You can read the blog post here: How Blogging & Digital Marketing took me to China).

I was able to write that story because I did something in my life that is worth talking about.So travel to new places, experience new cultures, listen to new types of music, make new friends from different places, learn a new language, do something new, do some social activity.

Everything adds to your life experience and it helps you tell more compelling stories.As a marketer, you have to engage your audience with interesting stories, knowledge and valuable content. The amount of ideas you can come up with to engage your audience depends on how much life experience you have.

2. Talk to a Single Person
A marketer is a sales man multiplied with the power of communication technology. A door-to-door salesman tries to sell a product by giving a sales pitch to a potential customer. A salesman talks to one person at a time.If I am trying to sell you something through marketing (via digital mediums), I have to talk to you.

Though I will be sending this mail out to 2,50,000+ subscribers, the way I am writing, you will feel that I am talking only to YOU.That's why you are able to connect with me, and listen to me, spend time reading my blog posts, spend time watching my YouTube videos and spend time reading my emails.

When you write a blog post or a sales email, imagine one person at the other end and write only to a single person.

3. Use Simple English
Right from our childhood, we have been fascinated by complex English. Grammar rules, long sentences, complex words are usually appreciated on the academic side of the world. They are appreciated in school but not in the market where you have to get people to pay you money.

In marketing, you have to write like you talk.If I was sitting next to you, I would talk like this. In simple English, and small sentences. The purpose of writing in marketing (copywriting) is to convert a reader into a customer, who will pay us for our products and services.

Content gets attention. Attention builds trust. Trust can be leveraged to get people to transact. Right now, I am able to get your attention because you were interested in what I have to say.

If I deliver good content, a promise from the headline (Subject line of this article is: How to be a better marketer), then through this I can build trust.I said I am going to talk about how to become a better marketer, and you read the mail until this point, and if you feel I have delivered my promise, then I am building trust in your eyes.

Tomorrow, with this trust, I might be able to convince you to buy one of my products. And nothing can be achieved if I spoke like an English professor or wrote like I am publishing a research paper for my PHD. I don't care about how correct my words.

All I care about it, am I getting your undivided attention, and am I able to build trust?English, in the marketing context, is just a medium to communicate. If I can communicate to your using telepathy, then I wouldn't need to use the words.

Final Words - So these are the three points which can help you become a better marketer.

There are a lot more things we can do to become better marketers, but these 3 are the most important.


Mr. Deepak Kanakaraju
(DigitalDeepak.com)
2
Work Place Behavior / Good relationship between fellow workers
« Last post by mim on April 09, 2019, 05:31:34 PM »
সাফল্যের সূত্র—সহকর্মীর সঙ্গে সুসম্পর্ক


অফিসে সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত? শীতল পেশাদারি নাকি উষ্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক? অফিস কি শুধুই কাজের জায়গা, নাকি নিজ ঘরের বাইরে আরেকটি আবাস? দিনের ১২ ঘণ্টার বেশির ভাগ সময়টা সহকর্মীদের সঙ্গে কাটাই আমরা। পরিবারের চেয়েও বেশি সময় কাটে এঁদের সঙ্গেই। কর্মক্ষেত্রকে তাই অনেকে বলেন ‘দ্বিতীয় ঘর’।

সেই ‘দ্বিতীয় ঘর’—এ যাঁদের সঙ্গে থাকছেন, তাঁদের সঙ্গে সহজ, সাবলীল, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কিন্তু কাজে আনন্দ এনে দেয়। কাজের মানও ভালো হয়। কিন্তু নানা পারিপার্শ্বিকতায় অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা কিন্তু বেশ বড় চ্যালেঞ্জ।
চাওয়া-পাওয়া, দেনা-পাওনা, সুযোগ-সুবিধা প্রতিটি সম্পর্কের সেতু। অফিসেও এর ব্যত্যয় ঘটে না, সেটা সহকর্মী হোক নারী কিংবা পুরুষ। আমরা সবাই জানি এবং বুঝি, অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক হওয়া উচিত। কিন্তু এই ‘নীতি কথা’ সব সময় মানা হয় না, কিংবা মানা যায় না। টানাপোড়েন ছাড়া কোনো সম্পর্ক হয় নাকি! অফিস যদি ‘পরিবার’ই হয়, সেখানে মান-অভিমান তো থাকবেই। থাকতে হবে পাশে দাঁড়ানোরও নিদর্শন।
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন ও নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি কাজে আনন্দ পেতে অফিসে তাই সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব জরুরি। তবে জোর করে তো আর দোস্তি হয় না। সেটি যদি না-ও গড়তে পারেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিকল্প নেই।

আগে নিজেকে জানুন:
সহকর্মীদের জানার চেষ্টা করার আগে নিজেকে জানুন। মানে, নিজের আগ্রহের জায়গাগুলো চিহ্নিত করুন। অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীরা কিন্তু নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। আপনার ব্যক্তিত্বের ধরন, আপনি অন্তর্মুখী নাকি মিশুকে। আড্ডাবাজ নাকি চুপচাপ। এই চরিত্র বাকিদেরও বুঝতে সাহায্য করুন। নিজের ব্যক্তিত্বের বাইরে গিয়ে জোর করে কিছু করবেন না। নিজেকে মেলে ধরুন। দেখবেন, আপনি নতুন কর্মী হলেও ঠিক সেখান থেকেই সবার সঙ্গে সম্পর্কটা সহজ হতে শুরু করবে।

সম্পর্কের সীমারেখা টানুন:
সহকর্মী নারী বা পুরুষ হোক, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কই কাম্য। নারী সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করতে একসময় প্রেম হতে পারে। এটা মোটেও অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, প্রেমের এই সম্পর্ক যেন আপনার বাকি সহকর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না করে। অফিসে এমন কিছু করবেন না, যা প্রেমের সম্পর্ককে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়। এতে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলেও সেটা টিকে থাকে না। এ জন্য অফিসে সবার সঙ্গেই সুসম্পর্কের সীমারেখা টানাও জরুরি। মাত্রাতিরিক্ত সৌহার্দ্য কিন্তু সুসম্পর্ক নয়, বিপদে পড়ার ফাঁদ!

বিনয়ী হোন
সব সহকর্মীর সঙ্গে আচরণে কথাবার্তায় বিনয়ী হয়ে ওঠা জরুরি। উদ্ধত আচরণ মানুষকে ধীরে ধীরে একা করে দেয়। কিছু ক্ষেত্রে বিনয় এমন একটি ‘অস্ত্র’, যা দিয়ে অফিসে আপনার সবচেয়ে বড় শত্রুকেও বশ মানাতে পারবেন। বিনয় মানে ‘গলে যাওয়া’ কিন্তু নয়। আত্মবিশ্বাসী মানে যেমন নয় উদ্ধত অহংকার। ধৈর্য কিংবা বিনয় কখনোই চারিত্রিক দুর্বলতা নয়, এসব কারও সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সুসম্পর্কের হাতিয়ার।

সহযোগিতা করুন
অফিস মানেই ‘দলগত অংশগ্রহণ’—সেখানে সহকর্মীরা একে-অপরকে সাহায্য করে কাজ সম্পন্ন করবেন, এটাই নিয়ম। আপনার অসহযোগিতা শুধু সেই কাজকেই প্রভাবিত করবে না, বরং সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কেও রাখবে নেতিবাচক প্রভাব। মনে রাখবেন, ভালো সহকর্মী হতে চাইলে পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। অফিসে নিজের কাজের বাইরে সহকর্মীদের কাজে টুকটাক সহযোগিতা করুন। অন্তত তাঁর পিসিটা ঠিকমতো কাজ করছে না, আইটি বিভাগের লোকজন আসার আগে নিজে একটু চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এই সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করুন কর্মক্ষেত্রের বাইরেও। বিপদ-আপদ সবার হয়। সেই বিপদে সবার আগে পাশে দাঁড়ায় যে, সেই তো স্বজন। আপনার পাশে প্রতিদিন এত সময় কাটান যে মানুষটা, তাঁর বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ান।
নতুন কর্মীকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করুন।

সম্মানবোধ জরুরি
মানুষে মানুষে সম্মান দেওয়া-নেওয়া থেকে সুসম্পর্কের সৃষ্টি হয়। অফিসে সহকর্মীদের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঠিক তা-ই। যেকোনো কাজে সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিন। অফিসে এ চর্চাটা সহকর্মীদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। কেননা, আপনি নিজেকে অফিসের অংশ হিসেবে মনে করলেই কেবল সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে, সহকর্মীরা আপনার মতামতের গুরুত্ব না দিলে অফিসের অংশ হয়ে উঠবেন কীভাবে? এ জন্য সহকর্মীদের মধ্যে একে অপরের প্রতি সম্মানবোধটা জরুরি। ছোটখাটো কাজে এসব সম্মানবোধ গড়ে তোলে বড় মাপের বোঝাপড়া, যেখান থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় অফিস।

ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব ভুলে যান
গোটা বিশ্বের সব অফিস-আদালতেই এ সমস্যাটা আছে। পরনিন্দা, পরচর্চা কিংবা সবকিছু বাঁকা দৃষ্টিতে দেখার অভ্যাস অফিসের পরিবেশকে দূষিত করে তোলে। এসব বদভ্যাস থাকলে আপনি কখনোই সহকর্মীদের মন জয় করতে পারবেন না। কোনো একটি ঘটনা শুনলেই তা পাঁচ কান করার অভ্যাস সহকর্মীদের মধ্যে বিরক্তির উদ্রেক ঘটায়। অফিসে প্রেম নিয়ে রসাল আলোচনাও নিচু মানসিকতার পরিচায়ক। এসব কোনো সহকর্মীই ভালো চোখে দেখেন না।
অফিসে মূল্যায়নের সময় সব সময় যে আপনার প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে, তা-ও নয়। কিন্তু সেটির সমাধান ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব খোঁজা নয়। এতে নিজের কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাবই কিন্তু পড়ে।
মনে রাখবেন, অফিসে আপনার উন্নতি কিন্তু সহকর্মীর মূল্যায়নের ওপরও নির্ভর করে। সহকর্মীদের তীব্র অসন্তোষের মুখে এই পর্যন্ত কেউ কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেয়েছে, এমনটা শোনা যায় না। সহকর্মীর কাজের যৌক্তিক প্রশংসা করুন। কাজের ফাঁকে রসিকতা করুন, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হবে, কাজেও মন হয়ে উঠবে চনমনে।

প্রতিযোগিতা হোক স্বাস্থ্যকর
স্কুলে এমনটা অনেকের হয়। স্কুলের বন্ধুদের চেয়ে আপন নেই। কিন্তু এই বন্ধুদের সঙ্গেই নম্বর তোলার প্রতিযোগিতা হয়। এই প্রতিযোগিতা খারাপ তো নয়। ও ভালো করছে, আমাকে ওর চেয়ে ভালো করতে হবে—এই স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন। আপনি আপনার সহকর্মীকে পেরিয়ে যেতে চাইছেন, এটা খোলাখুলিই বুঝিয়ে দিতে পারেন। সেটা এই বার্তা দিয়ে, আমি তোমার চেয়ে বেশি কাজ করব, ভালো কাজ করব। পারলে তুমিও এই চ্যালেঞ্জ নাও।

শেষ কথা
বড় অফিস একান্নবর্তী পরিবারের মতো। কারও পাতে কখনো একটু বেশি ওঠে, কারও পাতে কম। কেউ মাছের মুড়োটা পাবে, কেউ পেটি, কারও কপালে লেজ। কিন্তু এটা বারবার হচ্ছে কি না, কেন হচ্ছে বোঝার চেষ্টা করুন। নিজে ছাড় দিয়েও যখন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কিছু মিলছে না, তখন ভাবতে হবে, চাকরিটাই বোধ হয় আপনার জন্য নয়।

Source: The Daily Prothom Alo
3
Career Grooming / To get evaluated
« Last post by mim on April 09, 2019, 05:12:51 PM »
মূল্যায়ন পেতে কি করবেন?

কর্মজীবনে ঠিক সময়ে যথাযথ মূল্যায়ন পাওয়াটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিয়োগ, পদোন্নতি ও পছন্দসই দায়িত্ব পেতে চাইলে নিজ যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। অফিস বা কর্মক্ষেত্রে অনেকেই আছেন, তাঁরা শুধু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার (বস) নির্দেশের অপেক্ষায় বসে থাকেন। তাঁরা কর্তৃপক্ষের মন জুগিয়ে চললেই সব সময় মূল্যায়ন পাবেন, এমনটা ধারণা অযৌক্তিক। ভবিষ্যতে কী কী করতে চান এবং নিজেকে কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে চান—সেসব বিষয় আপনার কাজ ও আচরণের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। সঠিক মূল্যায়ন পাওয়ার জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় জেনে নিন:



প্রস্তুতি:
সফল না হওয়ার নেপথ্যে প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থতা অথবা ব্যর্থতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপারটাকে দায়ী করা যেতে পারে। কাজের ব্যস্ততা যতই বেশি হোক, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে কাঠখড় পোড়াতেই হবে। বসকে কোনোভাবে খুশি করে যেকোনো শূন্য পদে দ্রুত ওপরে উঠে যাওয়ার পরিণাম ভালো না-ও হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে উন্নত করলে অবশ্যই একদিন মূল্যায়ন পাওয়া যাবে।

ভালো শ্রোতা:
মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষা বা নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের দিনে আপনাকে ভালো শ্রোতা হতে হবে। তাহলে আপনার বক্তব্যে স্পষ্টতা আসবে এবং কর্তৃপক্ষও আপনার কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনবে। যদি তাদের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পান, রক্ষণশীল হওয়ার পরিবর্তে নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যাপারে ইতিবাচক ও গঠনমূলক অবস্থান নিন।

গুরুত্ব:
যদি আপনাকে কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, সেগুলো ঠিকমতো অর্জনের ওপর আপনার পেশাজীবনের অগ্রগতির অনেকটাই নির্ভর করবে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টায় অগ্রগতি এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে আপনার স্পষ্ট ধারণা যাচাই করা হবে। তাই লক্ষ্যগুলোকে হেলাফেলা না করে গুরুত্ব দিতে হবে। যদি এ ধরনের কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়া না হয়, অন্য কোনো উপায়ে নৈপুণ্য দেখিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে।

সম্মতি:
মূল্যায়ন যে রকমই হোক, কাজ করতে চাইলে আপনাকে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একধরনের সমঝোতায় রাজি হতে হবে। যদি আগামী দিনের ব্যাপারে কিছুই না বলা হয়, ধরে নিতে হবে তেমন কোনো মূল্যায়ন হয়নি। যদি বেতন বৃদ্ধি, পদোন্নতি বা কোনো প্রশিক্ষণে যাওয়ার সুযোগ আশা করেন, দুপক্ষকেই সে ব্যাপারে আলোচনা করে সম্মতিতে পৌঁছাতে হবে।

শিক্ষণ:
মূল্যায়ন হয়ে যাওয়ার পর এখানেই শেষ বলে ধরে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ছয় মাস বা এক বছর পর আবার আপনার মূল্যায়ন করা হবে। মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে জেনে নিন কর্মক্ষেত্রে নিজের অগ্রগতি সম্পর্কে। দৈনন্দিন কাজের ভিত্তিতে সবাইকেই গড়পড়তা মূল্যায়ন করা যেতে পারে। কিন্তু আপনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ বা আলাদা কী করছেন, সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। নিজস্ব এই শিক্ষণপদ্ধতি অনুসরণ করলে পরবর্তী পর্যায়ে অবশ্যই ভালো মূল্যায়ন পাবেন।
সূত্র: মনস্টার ডট কম।


Source: The Daily Prothom Alo
4
Career Enhancement / Tips to do when you didn't get promoted.
« Last post by mim on April 09, 2019, 04:54:47 PM »
পদোন্নতি না পেলে কী করবেন

পেশাজীবনে পদোন্নতির প্রত্যাশা সবারই থাকে। কিন্তু সব সময় সবার কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি না-ও হতে পারে। প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উপযুক্ততা বিবেচনা করে কাউকে কাউকে পদোন্নতি দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে কর্মীর কর্মদক্ষতা, বিশ্বাসযোগ্যতা, নেতৃত্বের গুণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবস্থা এবং প্রয়োজনটাও বিবেচ্য। এই দুইয়ে দুইয়ে চার না মিললে অনেক ক্ষেত্রে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি। কিন্তু পদোন্নতিবঞ্চিত ব্যক্তি যদি হতাশ হয়ে পড়েন, তাহলে মুশকিল। এ সময় নিজেকে সামলে সঠিক পরিকল্পনা করতে পারাটাই পেশাদারির পরিচয়। তা না করতে পারলে পেশাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ব্যক্তিজীবনেও হতাশা, উদ্বেগ ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা জরুরি।


তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া

পদোন্নতির বিষয়ে ‘না-সূচক’ খবর শুনে অপ্রস্তুত হয়ে যান অনেকেই। ক্ষোভে ফেটে পড়েন, হতাশায় মুষড়ে পড়েন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সবাই আপনাকে লক্ষ করছে। আপনি যে পদোন্নতি-প্রত্যাশী সে বিষয়টি সহকর্মীরা কম-বেশি সবাই জানেন। মুহূর্তের অপেশাদার মনোভাব, বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ আপনার সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। আপনার দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করতে পারে। তাই তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আত্মনিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুন। ব্যক্তিত্ব অক্ষত রেখে ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি নিয়ে ভাবুন। প্রয়োজনে একান্ত শুভাকাঙ্ক্ষী সহকর্মীর সঙ্গে কিছু সময় কথা বলে বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করুন।

অন্যদের অভিনন্দন জানান
নিঃসংকোচে অন্যদের অভিনন্দন জানান। আপনার চেয়ে উঁচু পদের হোক বা নিচু পদের, যাঁরাই পদোন্নতি পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন জানান। নিজ বিভাগের বাইরে অন্যদেরও খোঁজ নিন, শুভেচ্ছা জানান। অফিসের পরিচিত অনেকেই নিজে থেকে আপনার কাছে তাঁদের খবর নিয়ে আসতে পারেন। সবাইকে হাসিমুখে অভিনন্দিত করুন। নিজের বিষয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগার কিছু নেই। কারণ, পদোন্নতি না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনার দীর্ঘদিনের অর্জন বৃথা হয়ে গেছে। তাই কর্মস্থলের অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে কথাবার্তায় যেন আপনার ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ না থাকে।

ভারসাম্য বজায় থাক
ব্যক্তিজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ পেশাজীবন। আমাদের সারা দিনের বেশির ভাগ সময়ই কাটে কর্মক্ষেত্রে, পেশাগত ব্যস্ততায়। তাই দিন শেষে আপনার হাসিমুখ দেখা থেকে পরিবারের অন্যরা যাতে বঞ্চিত না হন, সেদিকে খেয়াল রাখুন। কর্মক্ষেত্রের নেতিবাচক কোনো বিষয় যেন পরিবারের অন্যদের প্রভাবিত না করে। স্বাভাবিক সম্পর্ক বা যোগাযোগে যেন ভাটা না পড়ে। প্রয়োজনে পরিবারের ঘনিষ্ঠজনকে নিজে থেকেই বিষয়টি জানিয়ে দিতে পারেন। এতে আপনি চাপমুক্ত হবেন, স্বাভাবিক থাকবেন। দৈনন্দিন কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন সহজে।

বসের সঙ্গে বোঝাপড়া
বসের কাছ থেকে সময় চেয়ে নিন। বিনয়ের সঙ্গে আপনার প্রত্যাশা ও অপ্রাপ্তির বিষয়টি অবহিত করুন। নম্রভাবে প্রকৃত কারণটি জানতে চান। পুনর্বিবেচনার সুযোগ না থাকলে নিজের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ফিরিস্তি না দিয়ে প্রতিষ্ঠানের অবস্থা, পরিকল্পনা এবং নিজের অবস্থান বোঝার চেষ্টা করুন। প্রশ্নের উত্তরেই আপনার প্রতি বসের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হবে। পেশাজীবনে উন্নয়নের জন্য কোন কোন বিষয়ের প্রতি সজাগ থাকা দরকার, এসব বিষয় তিনি বলতে চাইলে তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী পরিকল্পনার বিষয়টিও নিয়ে আসুন বসের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে। এতে আপনার আগ্রহ প্রকাশ পাবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি আপনাকে কীভাবে রাখতে চান সেটাও জেনে নিতে চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার জন্য নিজের বিষয়ে পরিকল্পনা করাটাও সহজ হবে।

নিজে বুঝুন, নিজেকে বোঝান
ঠান্ডা মাথায় আত্ম-মূল্যায়নে মনোনিবেশ করুন। নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলুন। প্রয়োজনে কাগজে লিখে ফেলুন। বিগত ছয় মাস থেকে এক বছরে প্রতিষ্ঠানের কী কী কাজ সফলভাবে করেছেন, তার একটা তালিকা তৈরি করুন। পাশাপাশি যা করতে পারেননি, তা-ও লিখে ফেলুন। এ কাজগুলো করতে পারা না-পারার মাঝে নিজের ভুলগুলো উঠে আসবে। এর পাশাপাশি নিজের শক্তিগুলোও আরেকবার অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। কারণ, আপনিই সবচেয়ে ভালো জানেন—আপনি কী পারেন, কী করেছেন আর কী করতে পারেননি। মিলিয়ে দেখুন আরও কী কী করা দরকার ছিল। এবার নিরপেক্ষভাবে ভেবে দেখুন—আপনার কতটুকু প্রাপ্য ছিল, আর কতটুকু বঞ্চিত হয়েছেন।

পরিকল্পনা থেকে প্রস্তুতি
আত্মমূল্যায়ন শেষে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসাবই আপনাকে তাগিদ দেবে নতুন করে শুরু করার। হতে পারে সেটা আগের প্রতিষ্ঠানেই কিংবা অন্যত্র। প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ও কর্তৃপক্ষের মনোভাবেই বোঝা যাবে—এ বছরটি আপনার জন্য কতটুকু সুগম। ভুলগুলো শুধরে এখানে কাজ করলে কত দূর যাওয়া সম্ভব, তা-ও ভেবে দেখুন। ইতিবাচক সম্ভাবনা থাকলে নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। তা না হলে কর্ম-পরিবেশ ও পেশার পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনায় আনুন। উন্নতির অন্তরায় যদি আপনি নিজে না হয়ে এসব পারিপার্শ্বিক অবস্থা হয়, তাহলে চূড়ান্ত পরিকল্পনা করতে বসুন, নতুন চাকরির সন্ধান শুরু করুন এখনই।
লিংকডইন অবলম্বনে


Source: The Daily Prothom Alo
5
Workstation Environment / Back to work after a vacation
« Last post by mim on April 09, 2019, 04:31:45 PM »
ছুটি শেষে অফিসে


শুরু হয়েছে আবার কাজের ব্যস্ততা। ছুটি শেষে মনকে ফুরফুরে করে কাজে ফিরেছেন কেউ কেউ। মনের হতাশা মুখে কালো মেঘের ছায়াকে সরিয়ে দিয়েছেন। একঘেয়ে অফিসের কাজ করতে করতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হতাশা তৈরি হয়। মানসিক অস্থিরতা, অফিসের কাজের চাপের কারণে আমাদের মধ্যে মানসিক হতাশা জন্ম নেয়। সেই হতাশা কাটাতে বছরের দুই-তিনটি উৎসবকেন্দ্রিক ছুটি দারুণ কাজ করে।
ঈদ-পূজা কিংবা নতুন বছর, পয়লা বৈশাখের ছুটি কর্মস্থলে হারানো নিজেকে ফিরিয়ে আনে বলে মনে করেন রুবিনা খান। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের একজন পরিচালক। রুবিনা খান বলেন, ‘বিরতিহীনভাবে দীর্ঘদিনের কাজ আমাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। ছুটির পরে ফুরফুরে মেজাজ আর হাস্যোজ্জ্বল সত্তা কর্মস্থলের কাজের গতি আর মাত্রা বদলে দেয়। ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ঘুরে বেড়ানোর গল্প অফিসের অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলে অন্যদের মধ্যেও ফুরফুরে মেজাজ আর আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। মাত্রারিক্ত গল্প যেন আবার অফিসের সামগ্রিক পরিবেশ নষ্ট না করে, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।’
ছুটি থেকে ফিরে সহকর্মী আর অধস্তনদের খোঁজখবর নেওয়াকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন আচরণের একটি ভাবা হয়। অন্যদের খোঁজখবর আর শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে নিজের শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের ছায়া প্রকাশ পায়। ফুরফুরে মেজাজ শুধু সহকর্মীদের সঙ্গে সখ্য বাড়ায় না, নিজের কাজের মাত্রায় আনে গতিশীলতা। আনন্দ আর ইতিবাচক আচরণের কারণে নিজের মধ্যে কাজের প্রতি বেশি দায়িত্বশীলতা বাড়ে।
প্রযুক্তি কোম্পানি বিটডিফেন্ডার বাংলাদেশের বিপণনপ্রধান কর্মকর্তা আফরিনা খান বলেন, ‘ফুরফুরে মেজাজ স্বাভাবিকভাবেই কর্মস্থলের পরিবেশকে আরও কাজের উপযোগী করে তোলে। মুখ ভার করে রাখা, অযথা মেজাজ দেখানোর মাধ্যমে সহকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। এই দূরত্ব কিন্তু কাজের ওপরেই প্রভাব ফেলে।’
আলোচিত মার্কিন পেশা পরামর্শক ডিয়ানে গটসম্যান ছুটির আনন্দের রেশ অফিসের কাজে ইতিবাচক উপায়ে কাজে লাগানোই বুদ্ধিমান বলে মনে করেন। ডিয়ানে তাঁর ব্লগে লেখেন, ‘যেকোনো ছুটির আনন্দই ইতিবাচক উপায়ে নিজের মধ্যে নিতে পারলেই কর্মস্থল খুব আকর্ষণীয় মনে হয়।’
ছুটিতে নিজের মধ্যে যে আনন্দ আর জীবনীশক্তি সঞ্চারিত হয়, তা কর্মস্থলে ইতিবাচক উপায়ে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পেশাভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। মনস্টার ডট কম আর ফোর্বস ম্যাগাজিন কর্মস্থলে যেকোনো উপায়ে ফুরফুরে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকে। এতে নিজের যেমন কাজে গতি আসে, তেমনি সহকর্মীরাও উৎসাহ পান। হাফিংটন পোস্ট কর্মস্থলে সব ধরনের কর্মীদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বলভাবে কুশলাদি জিজ্ঞেস করা আর ইতিবাচক কর্মপরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
হতাশা আর যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি কাটানোর দারুণ একটি উপায় হলো পরিপূর্ণ ছুটি-অবকাশ যাপন করা। সেই সুযোগে নিজের মধ্যে তৈরি হওয়া ফুরফুরে মেজাজ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে দারুণ কর্মস্থল তৈরি করুন না কেন?

Source: The Daily Prothom Alo
6
Work Place Behavior / Be cheerful at your work place
« Last post by mim on April 09, 2019, 04:22:48 PM »
অফিসে হাসিখুশি থাকতে

বৃহস্পতিবার বিকেল এলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। কারণ, আগামীকাল শুক্রবার। খুশি অবশ্য বেশিক্ষণ থাকে না। দপ্তর খোলার আগের দিনই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কর্মজীবী হিসেবে আপনি সুখী না হলে কাজটাও সঠিকভাবে করা হয় না। কিছু নিয়ম মেনে চললেই নাখোশ কর্মজীবী পদবিটা সরিয়ে ফেলতে পারবেন অনায়াসেই। ফিরে আসবে কাজের প্রতি মনোযোগ ও স্বতঃস্ফূর্ততা।
কর্ম ও কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ পছন্দ না হলে চাকরি বদলানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন অনেকেই। এতে করে নাকি কাজের প্রতি আনন্দ ফিরে আসে। পছন্দের কর্মক্ষেত্রেও কিন্তু একই মনোভাব কাজ করতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আনন্দময় ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে ‘ফিশ ফিলোসফি’–র চারটি ধারণাই যথেষ্ট বলে মনে করেন করপোরেট কোচের প্রধান পরামর্শক যিশু তরফদার। তিনি বলেন, ‘কর্মজীবনে খুশি থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ফিশ ফিলোসফি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুসরণ করা হয়। খেলা, অন্য মানুষকে আনন্দ দেওয়া, অন্যদের কাজে সহায়তা করা, মনোভঙ্গি নির্বাচন—এই চারটি অনুসরণ করলে কর্মজীবনের কাজগুলো আনন্দের সঙ্গে করতে পারবেন।’
অনিচ্ছাকৃতভাবে কাজে যাওয়া, কাজগুলো অসমাপ্তভাবে করা, সবশেষে কাজের প্রশংসা না পাওয়া—সবকিছুই একটি অপরটির সঙ্গে জড়িত। কর্মক্ষেত্রের এই নেতিবাচক চাপগুলো একসময় ব্যক্তিগত জীবনেও পড়ে। সারাক্ষণ মুখ গোমড়া করে থাকলে বিরক্ত হয়ে যান কর্মকর্তা ও সহকর্মীরা। নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য কর্ম ও কর্মক্ষেত্রের প্রতি সম্মান দেখানো আবশ্যক।


কর্মক্ষেত্রটি আনন্দময় করে তোলার জন্য যিশু তরফদারের কিছু পরামর্শ—
খেলা: ফিশ ফিলোসফির ধারণা এটি। কাজকে কঠিনভাবে নেওয়া যাবে না। খেলা যেমন আনন্দ দেয়। তেমনি কাজটাকেও আনন্দের সঙ্গে নিতে হবে।
•অন্যদের আনন্দ দেওয়া: কোনো না কোনো পরিস্থিতির মধ্যে প্রতিদিন অফিসে যেতে হয়। যদি মনে করেন পাশের সহকর্মীর মন ভালো নেই। চেষ্টা করুন তাঁর মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে। যাতে সে সুন্দরভাবে কাজটি করতে পারে। দেখবেন আপনারও ভালো লাগছে।
•অন্যদের সাহায্য করা: এটিও ফিশ ফিলোসফির ধারণা। আমি এখানে আছি—এই অনুভবটি আপনার সহকর্মীকে দিন। তাঁর কোনো কিছু দরকার হলে সহায়তা করুন।
মনোভঙ্গি বেছে নিন: অন্য কোনো কিছু না থাকুক নিজস্ব মনোভঙ্গি কী হবে, সেটা বেছে নেওয়ার নিয়ন্ত্রণটা আমাদের হাতেই থাকে। মনোভঙ্গিকে নির্বাচন করতে হবে সুন্দর মতো। মেজাজ খারাপ থাকলেও সেটাকে ভালো করার চেষ্টা করুন।
ব্যক্তিগত জীবনকে কর্মক্ষেত্রের বাইরে রেখে আসুন। বাড়ি অথবা পারিবারিক ঝামেলাগুলো যাতে অহরহ কর্মক্ষেত্র থেকে সামলাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
নিজের কাজ করার জায়গাটিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখুন। কর্মক্ষেত্র থেকে পাওয়া অনুমতির পরিপ্রেক্ষিতে কাজের সময় আপনাকে কিছুটা আরাম দেবে এমন জিনিস রাখতে পারেন।
কর্মক্ষেত্রের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই শুধু চিন্তা করবেন না। বরং যত ছোট জিনিসই হোক না কেন ইতিবাচক মনোভাব দেবে এমন জিনিসগুলো শনাক্ত করুন। সেটা কোনো নিয়মও হতে পারে, আবার আপনার সহকর্মীও হতে পারে।
মন খারাপ থাকলেও হাসুন। কোনো কিছু নিয়ে মন খারাপ থাকলে কাছের সহকর্মীর সঙ্গে তথ্যটি ভাগ করে নিন। কিছুটা হলেও ভালো বোধ করবেন।
আপনার প্রাপ্য ছুটির দিনগুলো সুযোগমতো ব্যবহার করুন। ঘুরে আসুন। দেখবেন কাজের প্রতি মনোযোগ বেড়ে গেছে বহু গুণ।
সূত্র: দ্য মিউস, মনস্টার ডটকম


Source: The Daily Prothom Alo
7
Career Enhancement / Tips to enhance your career
« Last post by mim on April 09, 2019, 04:10:00 PM »
ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাবেন যেভাবে


এখনকার সময়ে ক্যারিয়ারের অগ্রগতি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে তরুণ চাকরিজীবীদের জন্য। পড়াশোনা শেষে বেশির ভাগ তরুণই অধৈর্য হয়ে পড়েন এবং অনেক সময় পেশায় স্থির হওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা হতাশও হয়ে পড়েন। তাই তাঁদের জন্য কিছু পরামর্শ উল্লেখ করা হচ্ছে, যা তাঁদের কর্মজীবন পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

স্মার্ট সিভি তৈরি
সিভি সব সময়ই আপনাকে এবং আপনার দক্ষতা ও জ্ঞানকে প্রতিফলিত করে। নবীন যাঁরা তাঁদের উদ্দেশে বলছি, আপনাদের উচিত হবে না অনেক কিছু সিভির মধ্যে উল্লেখ করা। আপনাদের অবশ্যই একটি কাভার লেটার সংযুক্ত করতে হবে, যেখানে আপনি উল্লেখ করতে পারবেন, আপনি একজন নবীন। যে কারণে চাকরিতে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু আপনি সেখানে বলতে পারবেন, আমি একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট এবং ছাত্রাবস্থায় আমি বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমি দ্রুত কাজ শিখতে এবং নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে মনোনিবেশ করতে পারি। বড় হওয়ার জন্য আমার মধ্যে প্রচণ্ড আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। আমি বিশ্বাস করি, যদি আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাই, বড় কোনো অবদান রাখার মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে পারব। আপনাকে মনে রাখতে হবে, সিভিতে প্রকৃত অবস্থান উল্লেখ করার মাঝে কোনো ভুল নেই। নিজের চিন্তাভাবনার ব্যাপারে সততা সব সময়ই অন্যের মাঝে ইমপ্রেশন তৈরি করে।

ইন্টারভিউর মুখোমুখি হওয়া
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, আপনি যখন কোনো ইন্টারভিউ বোর্ডে যাবেন, তখনই ইন্টারভিউ যাঁরা নেন তাঁরা প্রথম দেখায় আপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। মনে রাখতে হবে, প্রথম ইমপ্রেশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবশ্যই আপনাকে মার্জিত পোশাক পরতে হবে। ইন্টারভিউয়ে নিজের স্মার্টনেস প্রকাশ করবেন কিন্তু কখনো ওভার স্মার্ট হবেন না। প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে স্মার্ট ও যথাযথভাবে। যেই প্রশ্নের উত্তর আপনি জানেন, সেগুলোর ব্যাখ্যা দেবেন উদাহরণসহ। আপনি যদি কোনো উত্তর জেনে না থাকেন, সে ক্ষেত্রে বলতে পারেন, সরি স্যার, আমার কোনো ধারণা নেই। মনে রাখবেন, সবকিছু জানা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার স্মার্ট ও কনফিডেন্ট (ওভার কনফিডেন্ট নয়) উত্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের কাজ সম্পর্কে জানা
আপনাকে অবশ্যই নিজের কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে জানতে হবে; কী করতে হবে এবং কী করা যাবে না। কাজটাকে বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি দ্রুত কাজ সম্পর্কে না জানেন, তাহলে আপনার জন্য নিজের কাজে কোনো অবদান রাখাটা কঠিন হয়ে পড়বে। একজন ফ্রেশার হিসেবে আপনি কম জানতেই পারেন কিন্তু আপনাকে কাজ করতে হবে সিনসিয়ারলি, যাতে আপনি নিজের কাজটা খুব দ্রুত শিখতে পারেন। কাজের ব্যাপারে আপনাকে হতে হবে পেশাদার।

প্রতিষ্ঠানকে বোঝা

যেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন সেই প্রতিষ্ঠানকে বোঝা খুব জরুরি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই ভিন্ন—সেটা সরকারি, মাল্টিন্যাশনাল অথবা জাতীয় হোক না কেন। প্রাথমিক ধাপে নিজেকে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতি বা লক্ষ্যের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোটাই উত্তম। ব্যবসা ও কাজের ওপর নির্ভর করে তরুণদের উচিত ধাপে ধাপে নিজেদের খাপ খাওয়ানো। এ ক্ষেত্রে তাদের উচিত সিনিয়র, সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়া। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কঠোর পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না। কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প কিছু নেই। কিন্তু এটাও সত্যি, কেবল কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয় নিজের উন্নতির জন্য। কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে হতে হবে স্মার্ট। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তাঁদের দিকেই মনোনিবেশ করে, যাঁরা তাদের কাজের ব্যাপারে নিবেদিত। মনে রাখবেন, ১০০ ভাগ কাজ করা মানে এই নয় যে তিনি তাঁর পরবর্তী ধাপের জন্য উপযুক্ত। ১০০ ভাগ কার্যোপযোগীর মানে হলো, তিনি তাঁর বর্তমান অবস্থানের জন্য যোগ্য। সুতরাং আপনাকে একটু বেশি কাজ করতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠান আপনাকে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য যোগ্য মনে করে।

Source: The Daily Prothom Alo
8
Workstation Environment / To remove boredom from your work
« Last post by mim on April 09, 2019, 04:04:19 PM »
অফিসের কাজে একঘেয়েমি কাটাতে


দৈনন্দিন কাজের চেনা ছক ভেঙে অফিসের সময়টুকু মনের মতো করে উপভোগ করতে চান? অফিসের কাজে একঘেয়েমি জয় করতে আপনার মনের মতো কয়েকটি সমাধান সূত্র। রুটিনের কাজের বাইরে কোনো নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার চেষ্টা করুন। হয়তো একটু বেশি সময় কাজ করতে হবে। কাজ নিয়ে মাথাব্যথাও বাড়বে আপনার কিন্তু আপনার একঘেয়েমি কাটাতে এবং নতুন কাজ শেখার ক্ষেত্রে এর থেকে ভালো উপায় খুব কমই রয়েছে।

যে সময়টা একটু অবসরে থাকবেন নিজের কাজের ভালো এবং খারাপ দিকগুলোর দুটো তালিকা বানান। নিজের কাজে পরিষ্কার থাকুন, একঘেয়েমি মোকাবিলা করতে পারবেন। অফিসের কাজের ফাঁকে অবসর সময়ে বা দুপুরের খাবার সময় নিজের পছন্দের যেকোনো একটা কাজ করুন। যেমন—গান শোনা, ম্যাগাজিন পড়া। আপনার প্রতিদিনের কাজের আওতায় বাইরে যেকোনো একটা নতুন কাজ আয়ত্তে আনুন।

নিজের কাজ করতে করতে অন্য কোনো সহকর্মীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। কাজে একটু রদবদল আসবে। সেই সঙ্গে অন্যকে সাহায্য করার মধ্য দিয়ে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, সেটাও পুরো মাত্রায় লাভ করবেন। যে জায়গায় বসে একটানা কাজ করতে হয়, সেটা বেশ সাজানো গোছানো থাকলে মন ভালো থাকতে বাধ্য।

যে দিন কাজের চাপ একটু কম থাকবে, অফিসের প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে বেড়িয়ে পড়ুন। প্রতিদিন অফিসে পৌঁছে ১০-১৫ মিনিট বরাদ্দ করুন ওয়ার্কস্টেশন পরিষ্কার করার জন্য। ঝকঝকে ডেস্কে বসে কাজ করার মজাই আলাদা।

Source: The Daily Ittefaq
9
Career Enhancement / Has promotion stopped???
« Last post by mim on April 09, 2019, 03:58:32 PM »
পদোন্নতিতে মেঘ জমেছে...


পদোন্নতি প্রতিষ্ঠানে কর্মী ধরে রাখার অন্যতম একটি কৌশল। সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে কর্মীদের নতুন দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। এতে কর্মী অনুপ্রাণিত হন, আবার পদোন্নতির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের যোগ্য কর্মীদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার হার কমিয়ে আনা হয়। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে সৎ, পরিশ্রমী কর্মীদের পুরস্কৃত করাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য।

পদোন্নতি আমাদের জীবনে অনেক আনন্দঘন মুহূর্তের কারণ হলেও অনেক সময় পদোন্নতির জন্য সহকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যায়। বছরের পর বছর একসঙ্গে এক পদে কাজ করেছেন, কিন্তু আপনি পদোন্নতি পেয়ে পরের ধাপে চলে গিয়েছেন। সহকর্মীদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হয়েছেন। হয়তো আপনার সঙ্গেই আরেকজন সহকর্মীর ‘ইঁদুর দৌড়’ ছিল এক পদের জন্যই। শেষ পর্যন্ত আপনি জয়ী হয়েছেন। পদোন্নতির পর হয়তো আবিষ্কার করছেন সহকর্মীরা আপনাকে নিয়ে কানাঘুষা করছেন অফিসে। পদোন্নতির কারণে অনেকেই আপনার ওপরে মনঃক্ষুণ্ন হয়ে আপনার থেকে দূরে থাকছেন, ঠিকমতো কথা বলছেন না। যদিও আপনার পদোন্নতিতে যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও অনেকেই মনে করছেন আপনার পদোন্নতি পাওয়া উচিত হয়নি।

কর্মস্থলে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে কী করা উচিত ঠিক ভেবে পাই না আমরা অনেকেই। ইচ্ছা করলেও সেই সহকর্মীদের এড়িয়ে চলা সম্ভব না। কারণ, সহকর্মীদের সঙ্গে আপনার প্রতিদিন দেখা হবে, বিভিন্ন ধরনের কাজ একসঙ্গে করতে হবে। তাই তাঁদের এড়িয়ে যাওয়া বোকামি। আপনাকে আপনার দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করার জন্য হলেও এসব পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

এ ব্যাপারে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইউওয়াইএস ল্যাবের চেয়ারপারসন ফারহানা এ রহমান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এরও জেষ্ঠ্য সহসভাপতি। তিনি বলেন, প্রথমত আপনার যে সহকর্মী পদোন্নতি পাননি কিন্তু আপনার পদোন্নতির কারণে তিনি মনঃক্ষুণ্ন হয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। তাঁর ভালো দিক এবং শক্তির জায়গা নিয়ে কথা বলুন। তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করুন যে তিনিও যথাসাধ্য চেষ্টা করলে অবশ্যই তাঁর পদোন্নতি হবে। ফারহানা রহমান আরও বলেন, পদোন্নতি হচ্ছে একটি সামগ্রিক বিষয়। অনেক সময় আমাদের প্রেজেন্টেশন স্কিলের ঘাটতি থাকার কারণে কাজগুলো প্রতিষ্ঠানের মালিক কিংবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যন্ত পৌঁছায় না।

আর পদোন্নতির পরে কেউ কথা না বলতে চাইলেও আপনি বারবার তাঁর কাছে যাবেন। তাঁর ব্যবহারে কষ্ট পাবেন না। নিজের কাজ আরও নিষ্ঠার সঙ্গে করতে হবে, যাতে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন কেন আপনি তাঁদের থেকে এগিয়ে গেছেন। আর যদি সেই উপলব্ধিও না হয়, তাহলে অযথা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা না করাই ভালো। সহকর্মীদের ব্যর্থতার দায়ভার তাঁকে নিতে দিন। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগে বা যোগদানের আগে যথেষ্ট সহনশীল হওয়া উচিত।

Source: The Daily Prothom Alo
10
Useful Social Network / Usage of Social Media
« Last post by mim on April 09, 2019, 03:44:02 PM »
ফেসবুক-লিংকডইনে নিজেকে তুলে ধরুন


আপনি হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছেন কি না, সেটা বড় কথা নয়। পেশাজীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে ফেসবুক বা লিংকডইনের সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন। এতে আপনি চেনা–জানা পরিমণ্ডলের বাইরে নিজের পরিচিতি বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। এভাবে আপনার সামনে চলে আসতে পারে কাঙ্ক্ষিত কোনো চাকরির সুযোগ।
লিংকডইন ও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাকরি-বাকরি নিয়ে আলোচনার বিস্তর সুযোগ রয়েছে। আপনি চাইলে নিজস্ব ভাবনা জানিয়ে সেখানে লিখতে পারেন। অন্যরাও মন্তব্য করবেন। এতে ভাবনার বিনিময় হবে। চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমকে গুরুত্ব দেয়। নিয়োগের আগে তারা অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রার্থীর প্রোফাইল দেখে যাচাইয়ের চেষ্টা করে। তাই পেশা ব্যবস্থাপনায় একটি মাধ্যম বেশ কাজে লাগে:

লিংকডইন

প্রায় সব পেশায় যুক্ত লোকজনকেই আপনি পেয়ে যাবেন এই মাধ্যমে। যে ধরনের চাকরি খুঁজছেন, তা মাথায় রেখে লিংকডইনে নিজের প্রোফাইল সাজিয়ে তুলুন। নিজের অর্জনগুলো গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করুন। কেবল তারিখ আর কাজের ধরন লিখেই দায় সারবেন না। আপনার প্রোফাইলটি সবাই পড়তে পারবে, তাই কোনো ভুল তথ্য যেন না থাকে। চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্তারা আপনার সিভির সঙ্গে মিলিয়ে দেখতেও পারেন। এমন ছবি দেবেন, যা আপনার পেশাজীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজস্ব ওয়েবসাইট, ব্লগ, পত্রিকায় প্রকাশিত লেখা ও অন্যান্য সৃজনশীল কাজের লিংক শেয়ার করতে পারেন। নিজের অভিজ্ঞতা ও লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করুন। কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগ্রহী হলে তাদের ব্যাপারে লিংকডইনেই খোঁজ নিতে পারেন। এই ওয়েবসাইটের বিভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হোন এবং প্রোফাইল নিয়মিত হালনাগাদ বা আপডেট করুন।

ফেসবুক

সবার সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুক খুবই কার্যকর। চাকরির অনেক খোঁজখবর এই মাধ্যমে অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক মূলত বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্যই বেশি পরিচিত। তাই সেখানে সবাইকে ঠিকভাবে জানিয়ে দিন, আপনি কী পেশায় যুক্ত রয়েছেন। আপনার পেশাজীবনের উন্নতি ও চাকরি অনুসন্ধানের ব্যাপারে ফেসবুকের বন্ধুবান্ধবের কাছে তথ্য ও পরামর্শ চেয়ে লিখুন। অনেক প্রতিষ্ঠান ফেসবুকে পেজ খুলে রেখেছে। সেগুলো ঘেঁটে দেখুন, আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরির ব্যাপারে কোনো তথ্য আছে কি না।
গার্ডিয়ান অবলম্বনে

Source: The Daily Prothom Alo
Pages: [1] 2 3 ... 10