Author Topic: Manufacturing of skilled manpower is increasing  (Read 576 times)

Noor E Alam

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 369
Manufacturing of skilled manpower is increasing
« on: July 03, 2018, 10:05:33 AM »

বিদেশে জনশক্তি রফতানিতে দক্ষ অংশের সংখ্যা বাড়ছে। বিদেশে মোট জনশক্তির মধ্যে ১০ শতাংশ। মোট জনশক্তি রফতানিতে দক্ষ লোকের অংশ এখন ৪৩ শতাংশেরও বেশি। এই বৃদ্ধি বিদেশে বেশি পরিশ্রমে কম আয় করা অদক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা কমিয়েছে। অদক্ষ কর্মীর তুলনায় দক্ষ কর্মীর অভিবাসন ব্যয় কম, চাহিদা এবং আয় অনেক বেশি। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধিতে দক্ষ জনশক্তির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। শ্রমিক রফতানিতে দক্ষ শ্রেণির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রবাসী আয়ও বাড়ছে।

সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে শ্রমিকদের দক্ষতা বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কাজ করছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কাউন্সিল (এনএসডিসি)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই এনএসডিসির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এনএসডিসির সহসভাপতি।

সারাদেশে ১৩ হাজার ১৬৩টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য জনশক্তি গড়ে তোলা হচ্ছে। সরকারের ৩৫ বিভাগ সম্পর্কিত বিভাগের সমন্বয়ের মাধ্যমে করা হয়। দেশে-বিদেশে দক্ষ কর্মী বাহিনী গড়ে তুলতে এনএসডিসির কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে এনএসডিসিকে একটি স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ হিসেবে উন্নয়নের কাজ চলছে।

এবারের বাজেটের প্রকাশনা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুসারে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষ জনশক্তি রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাশাপাশি পেশাজীবী জনশক্তি রফতানিও বেড়েছে। এ কারণে স্বল্প দক্ষ ও আধা দক্ষ জনশক্তি রফতানির হার কমেছে। ২০০৮ সালে দক্ষ জনশক্তি রফতানি ছিল মোট রফতানির ৩৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে এসে এ হার বেড়ে হয়েছে ৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে পেশাজীবী জনশক্তি রফতানি বেড়েছে। ২০০৮ সালে শ্রেণিভিত্তিক পেশাজীবী ছিল শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। ২০১৭ সালে বেড়ে হয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ।

সূত্রমতে, এ সময় জনশক্তি রফতানিতে স্বল্প দক্ষদের অংশ কমেছে ১০ শতাংশ। ২০০৮ সালে যারা বিদেশে কাজে যান তাদের মধ্যে স্বল্প দক্ষ ছিল ৫০ শতাংশ। ২০১৭ সালে যা দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশ। তবে আধা দক্ষ জনশক্তি রফতানিতে তেমন হেরফের হয়নি। ২০০৮ সালের ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ থেকে ২০১৭ সালে ১৫ দশমিক ৪২ হয়েছে।

এনএসডিসি সচিবালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন এ বি এম খোরশেদ আলম। জানতে চাইলে তিনি সমকালকে বলেন, এনএসডিসি মূলত জনশক্তি উন্নয়নে নীতি নির্ধারণী কাজ করে থাকে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা নিরূপণ ও আন্তর্জাতিক মান অর্জনে কারিকুলাম উন্নয়নের কাজ করে থাকেন তারা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অধীন পরিচালিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ কোর্সের নকশা, কারিকুলাম যুগোপযোগী করা, প্রশিক্ষণের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া, বাস্তবায়ন, তদারকি ও মূল্যায়ন করে থাকে এনএসডিসি।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী ২০১৭ সালে জনশক্তি রফতানিতে দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪৪ জন। স্বল্পদক্ষ ছিল ৪ লাখ ১ হাজার ৭৯৬ জন। এ সময় মোট ১০ লাখ ৮ হাজার ৫১৮ জন শ্রমিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। মোট জনশক্তি রফতানির ৯০ শতাংশই গেছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এর মধ্যে বেশি গেছে সৌদি আরবে। ২০০৮ সালের তুলনায় দেশটিতে ২০১৭ সালে জনশক্তি রফতানি বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। ফলে সৌদি আরব এখনও শীর্ষ প্রবাসী আয়ের উৎস। তবে দেশটি থেকে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের অনুপাত আগের তুলনায় কমছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স ছিল মোট প্রবাসী আয়ের ২৯ শতাংশ। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ হার কমে হয়েছে ১৮ শতাংশ।


Source:- Prothom Alo